দাম দিয়ে কিনেছি এই বাংলা : জিয়ার ঘোষণা

দাম দিয়ে কিনেছি এই বাংলা : জিয়ার ঘোষণা। জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা ও রাজনৈতিক বিতর্ক। কালুরঘাট স্বাধীন বেতার কেন্দ্র। অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।

"... জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে এখনও রাজনৈতিক বিতর্কের অবসান ঘটেনি। অথচ, স্বাধীনতা পরবর্তী বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছরের জীবদ্দশায় এ নিয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না। তাদের দুজনের (বঙ্গবন্ধু ও জিয়া) অবর্তমানে অদ্যবধি এ বিষয়ে রাজনৈতিক কাঁদা-ছোড়াছুড়ি এমন এক মাত্রায় গিয়ে পৌঁছেছে যে, বিতর্ক ও সামালোচনা-আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ নিজ নিজ দলের নেতাকে সবার উপরে স্থান দিতে চায়। এটা একটা অহেতুক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রয়াস বটে। আসলে ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধুর জায়গায় থাকবেন, জিয়া জিয়ার জায়গায় থাকবেন। জিয়া কোনোদিন কোনো মূল্যায়নে বঙ্গবন্ধুর সমকক্ষে আসতে পারবে না। জিয়া বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশায় এবং পরেও যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলেন কোনোদিন এ ধরনের কোনো দাবিও করেননি। এমনকি বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার ক্ষোভ অভিমান থাকা সত্ত্বেও কোনো অশ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন বলে কোনো প্রমাণ নেই। বরং আমরা দেখেছি জিয়া বঙ্গবন্ধুর অনুগত্য হয়ে সেদিন বাকশালের সদস্যপদ গ্রহণ করেছিলেন। জিয়া বঙ্গবন্ধুর সমকক্ষ না হলেও মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার ও বঙ্গবন্ধুর হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণার জন্য ইতিহাসে তাঁর জায়গায় তিনি থাকবেন। যারা সমালোচনার মাধ্যমে তাকে তুচ্ছভাবে দেখেন তারা পক্ষান্তরে বঙ্গবন্ধুর ভাবমূর্তিকেই খাটো করেন।

২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হওয়ার পর শুরু করল পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর গণহত্যাসহ, চরম নিষ্ঠুর ও নির্মম অত্যাচার। তৎক্ষনিক শুরু হয়ে গেল অবরোধ সংগ্রাম। তখন পুরো জাতি ছিল দিশেহারা। ২৬ মার্চ কালুরঘাট স্বাধীন বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আওয়ামীলীগ নেতা হান্নানসহ কয়েকজন বেতার কর্মী স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করছিলেন। পূর্ব প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত না থাকা সত্ত্বেও পুলিশ, ইপিআর, আনসার, মুজাহিদ ও সশস্ত্র বাহিনীর অনেক সদস্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। সে সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ ভারত সীমান্তে পাড়ি দেওয়ার উদ্দেশ্যে শেষ সম্বলটুকু নিয়ে পরিবারের আবাল বৃদ্ধ বনিতা, শিশু, কিশোরসহ ধাবিত হচ্ছিল ভারতের দিকে।সে এক করুল চিত্র। আওয়ামীলীগের চট্টগ্রামের কিছু নেতা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন যে, এসময় একজন সিনিয়নর সামরিক অফিসারের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাটি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করা যেত। তাহলে মানুষ অনেকটা আশ্বস্থ হবে এবং সবার মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে। বিশেষ করে পুলিশ, ইপিআর, আনসার মুজাহিদসহ সশস্ত্র বাহিনীর ৪৫ হাজার এর অধিক সশস্ত্র ও প্রশিক্ষিত একটি দিক নির্দেশনা পাবে।

তাই তারা একজন সিনিয়র সামরিক অফিসারের খোঁজে সেদিন প্রথমে চট্টগ্রামের ষোলশহরে যান। সেখানে ছিল অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। এর আগে তারা ক্যাপ্টেন রফিকের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ষোলশহরে অবস্থানরত ৮ম বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসাররা তাদের প্রস্তাব শুনে বলেন মেজর জিয়াই হচ্ছে চট্টগ্রামে বাঙ্গালি অফিসারদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ অফিসার। আরো বলেন- জিয়া বর্তমানে বোয়ালখালী বা পটিয়ায় ৮ম বেঙ্গলের সৈনিকদেন একটি অংশের সঙ্গে আছেন। বোয়ালখালী আওয়ামীলীগ নেতা হান্নান ও ইঞ্জিঃ মোশারফের সাথে জিয়ার সাক্ষাতে যুদ্ধসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের আলাপ হয়েছিল। পরের দিন জিয়া চট্টগ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা জহুর আহমেদ চৌধুরীর বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা সম্পর্কিত প্রেরিত বার্তা পেয়ে কয়েকজন আওয়ামীলীগ নেতা ও বেতারের কয়েকজন কর্মীসহ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে আসেন। তিনি আওয়ামীলীগ নেতা, বেতার কর্মীদের পরামর্শ অনুযায়ী সংশোধিত আকারে চূড়ান্তভাবে বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে এ স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেন।

সম্প্রতি জেনারেল সফিউল্লাহ (প্রাক্তন সেনা প্রধান) বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে এর সত্যতা স্বীকার করেন। জিয়াউর রহমান “I major zia, Provisional commander-in chief of Bangladesh liberation army, hereby proclaims of our great leader Bangha Bandgu Sheikh Mujibur Rahman the independence of Bangladesh. I also declare, we have already framed a sovereign, legal Government under Sheikh Mujibur Rahman which pledges to function as per law and constitution. The new democratic Government is comitted to a policy of non-alignment in international relations. It will seek friendship with all nations and strive of international peace. I appeal to all Government to mobilige public opinion in their respective countries against the brutal genocide in Bangladesh.

The government of sheikh Mujibur Rahman is sovereign legal government of Bangladesh and is entitled to recognition from all democratic nation of the world joy bangla”.

উনি জয় বাঙলা বলে এ ঘোষণার ইতি টানেন। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে থেকে সেদিন জিয়ার এই স্বাধীনতা ঘোষণা পুরো জাতিকে আবার নতুনভাবে উজ্জীবিত করেছিল। বিশেষ করে পুলিশ, ইপিআর, আনসার স্বশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে বাড়তি অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছিল। সেদিনের জিয়ার এই ঘোষণাকে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার ধারাবাহিকতায় দেখি। তাই বলব- কে, কখন ঘোষণা করেছিলেন, টেলিফোনে করেছিলেন নাকি টেলিগ্রামে করেছিলেন। কার মাধ্যমে কোথায় কিভাবে ঘোষণা হলো এ ঘোষণার জন্য জিয়াকে বোয়ালখালী বা পটিয়া থেকে নিয়ে আসা হলো। কার নির্দেশে আনা হয়েছিলো। মীমাংসিত এ বিষয়টি নিয়ে তর্ক, বিতর্ক, সমালোচনা, অহেতুক। কারণ, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঘোষণার পর ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল একটির আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। বঙ্গবন্ধুর পক্ষের এই ঘোষণা যেহেতু মীমাংসিত ও বিশ্বের কাছে স্বীকৃত বিষয় সে জন্য এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে কৃতিত্ব বা বাহাবা নেওয়ার জন্য বা কাউকে খাটো করার জন্য প্রতিযোগিতা অর্থহীন বলে আমি মনে করি। রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্য প্রনোদিত হয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ সংক্রান্ত ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে পাল্টাপাল্টি আলোচনা-সমালোচনা স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধী পক্ষকে আমাদের চেতনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়।

আমি মনে করি তারা বঙ্গবন্ধুর ভাবমূর্তিকেই খাটো করে। জিয়াউর রহমানের এ ঘোষণায় যুদ্ধকামী জনগন, বিশেষ করে বাঙালি সৈনিক ও অফিসাররা বাড়তি একটি অনুপ্রেরণা ও উদ্দীপনা পেয়েছিল। আমি মনে করি, এ বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক কাদা-ছোঁড়াছুড়ির উর্ধ্বে থাকাই সমীচীন। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধুর জায়গাই থাকবেন- জিয় জিয়ার জায়গায় থাকবেন। বঙ্গবন্ধু ও জিয়ার জীবদ্দশায় এ ঘোষণায়ে কোনোপক্ষ থেকে কোনো বিতর্ক হয়নি। কারণ বঙ্গবন্ধু এর প্রয়োজন মনে করেননি। ’৫২-র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দীর্ঘ মুক্তি সংগ্রামে এবং ৭১’ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দুটিরই নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। আজ যারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু বলতে দ্বিধাবোধ করে আমার মতে তাদের শুধু নৈতিক অবক্ষয় ঘটেনি তারা বঙ্গবন্ধুর ভাবমূর্তিকে খাটো করে দেখার পাশাপাশি জিয়াকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তুলনামূলক বিচার করতে চায়। জিয়া জীবিত থাকলে এদের এই ধরণের আচরণ ও উক্তিকে কখনো প্রশ্রয় দিতেন না। জিয়া যতোই উচ্চভিলাসী ও দূরদর্শিতা সম্পন্ন তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অফিসার থাকুক না কেন বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধ ছিল যথেষ্ঠ। শুধু মনে লালন করেছিল একটি ক্ষোভ তাকে ডিঙ্গিয়ে সফি উল্লাকে সেনা প্রধান করার কারণ।

তবু তিনি সর্বশেষ বঙ্গবন্ধুর কাছে গিয়ে স্বাক্ষর করে বাকশালের সদস্যপদ গ্রহণ করেন। পাশাপাশি আবার বলব- যারা আবার তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে জিয়া মুক্তিযোদ্ধা নয়, তিনি পাকিস্তানের এজেন্ট ছিলেন, তিনিতো সামান্য একজন মেজর ছিলেন এধরনের উক্তি করেন এগুলো অত্যন্ত আপত্তিকর শুধু নয়, এমনকি বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকলে তিনি এই উক্তিগুলো মেনে নিতেন না। তবে জিয়ার ক্ষমতা গ্রহণ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কর্মকান্ড বিতর্কিত বিষয়সমূহ নিয়ে আমি এখানে বিষদ আলোচনা করতে চাইনা। আমি নয় মাস স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াকে মূল্যায়ন করছি মাত্র। এই ধরণের অতিরঞ্জিত উক্তিগুলো যারা করেন হয়তো এদের ভুল পরামর্শে জেনারেল জিয়া সফিউল্লাহ থেকে এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও সেদিন জিয়াকে বাদ দিয়ে সফি উল্লাকে সেনা প্রধান করা হয়েছিল।জিয়া বিচক্ষণ ও দূরদর্শিতাসম্পন্ন উচ্চভিলাষী একজন অফিসার ছিলেন এটা সত্য। এই জিয়া বঙ্গবন্ধুর কাছে গিয়ে সেদিন বাকশালে যোগদান করেছিল। জিয়ার রাজনৈতিক অধ্যায়ের বিতর্কে না গিয়ে বলব মুক্তিযুদ্ধ সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ‘বীর উত্তম’ খেতাব প্রাপ্ত যুদ্ধের শেষলগ্নে জেডফোর্স কমান্ডার ছিলেন। আমি একটি বিষয় লক্ষ করেছি যে, যারা বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু বলতেন তাদের মধ্যে একটা অংশ তাদের নেতা জিয়াকে কটূক্তি করার কারণে বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু না ডেকে শেখ মুজিবুর রহমান বলে এখন উল্লেখ করেন।

এমনকি রাজেনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অপবাদ দিতে কুণ্ঠাবোধ করেনা তারা। আবার অপর শ্রেণি জিয়াকে পাকিস্তানের এজেন্ট বলতেও দ্বিধাবোধ করেনা। রাজণীতিতে এই ব্যক্তিদের double standard আমাদের রাজনীতি কলুষিত করে রেখেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হলে আমাদের এই সঠিক ইতিহাস বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। নয়তো এর সঠিক ইতিহাস না জানার কারণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চরম ঘাটতি দেখা দেবে। চেতনা হবে তখন প্রশ্নবিদ্ধ। এই চেতনায় বৃহত্তর ঐক্য যদি না থাকে তাহলে একদিন আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হবে। এই চেতনাকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে স্বাধীনতার পক্ষের সব শক্তিগুলো দলীয় সংকীর্ণতা উর্ধ্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ একটি বৃহত্তম ঐক্যসৃষ্টির প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে। এর প্রয়াসের এখনো ঘাটতি রয়েছে। জিয়ার রাজনৈতিক অধ্যায়ে আলোচনা না করে একটি বিষয় উল্লেখ না করলে নয়। অভিমানি জিয়া সবসময় ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিতেন। তার সাথে বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের যোগাযোগ ছিল। তবে হয়তো বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিষয়টি জানতেন কিনা সেটা আরো বিশ্লেষনের প্রয়োজন।

তবে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেদিন সকালে কয়েকজন অফিসার মরহুম মেজর জেনারেল আমিন আহমেদ চৌধুরী(বীর বিক্রম) সহ জিয়ার বাসায় খবরটি যখন পৌঁছান তখন জিয়া সেভ করছিলেন। মুখের একপাশ শেষ করে অন্যপাশ শুরু করবেন ঠিক এসময় এরা বললেন শেখ মুজিবকে মেরে ফেলা হয়েছে। তাৎক্ষনিক জিয়া ঠান্ডা মাথায় খুব গম্ভীর কন্ঠে উত্তর দিলেন- ‘দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট অথবা সিনিয়র ব্যক্তি ক্ষমতা নেবেন।” জিয়া ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সেদিন নাটকীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেটা হয়তো তার কৌশল ছিল। তিনি হয়তো আর একটি সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মোশতাকের কাছ থেকে ক্ষমতা নেবেন এই ধরণের চিন্তা করছিলেন॥"

উৎস : কর্নেল (অব:) জাফর ইমাম বীরবিক্রম / দাম দিয়ে কিনেছি এই বাংলা ॥  [ ঐতিহ্য প্রকাশনা - পৃষ্ঠা : ৯৬ ]

COMMENTS

BLOGGER
Name

আন্তর্জাতিক,2,ইতিহাস,4,ইসলাম ধর্ম,1,ইসলামের ইতিহাস,4,কোরআন ও বিজ্ঞান,2,নবী ও রাসুল,1,নাস্তিক্যবাদ,2,পাকিস্তান অধ্যায়,3,প্রতিবেশী ভূ-রাজনীতি,1,বাংলা সাহিত্য,1,বাংলাদেশ অধ্যায়,2,বিখ্যাত ব্যাক্তিত্ব,1,ভাষা আন্দোলন,6,ভাষা ও সংস্কৃতি,1,মতামত,3,মুক্তিযুদ্ধ,5,মুসলিম বিজ্ঞানী,1,মুসলিম শাসনকাল,5,রাজনীতি,9,রাজনীতিবিদ,8,রাষ্ট্র ও প্রসাশন,2,লেখক ও সাহিত্যিক,1,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,2,শিক্ষা ব্যবস্থা,4,সাম্প্রদায়িকতা,1,সাহাবীদের জীবনী,2,সাহিত্য ও সংস্কৃতি,3,
ltr
item
iTech: দাম দিয়ে কিনেছি এই বাংলা : জিয়ার ঘোষণা
দাম দিয়ে কিনেছি এই বাংলা : জিয়ার ঘোষণা
দাম দিয়ে কিনেছি এই বাংলা : জিয়ার ঘোষণা। জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা ও রাজনৈতিক বিতর্ক। কালুরঘাট স্বাধীন বেতার কেন্দ্র। অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgjS0bJHjpwtqsplAuyZJmfkQhk98ZMJfOxOuqrifVRWqjfZAyIX57ofsgCf7sSsO95FLx5yoIe4-Kz9hGm2LVzLDUPwrkWsRnPh1OEEP8dsQ5tUEUpy99JA-11lb2LDIAspfZOEsEEVtzN/s200/Ziaur+Rahman+Art.jpg
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgjS0bJHjpwtqsplAuyZJmfkQhk98ZMJfOxOuqrifVRWqjfZAyIX57ofsgCf7sSsO95FLx5yoIe4-Kz9hGm2LVzLDUPwrkWsRnPh1OEEP8dsQ5tUEUpy99JA-11lb2LDIAspfZOEsEEVtzN/s72-c/Ziaur+Rahman+Art.jpg
iTech
https://qtechmedia.blogspot.com/2017/04/blog-post_30.html
https://qtechmedia.blogspot.com/
https://qtechmedia.blogspot.com/
https://qtechmedia.blogspot.com/2017/04/blog-post_30.html
true
5233664077611017960
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy Table of Content